চেতনা জাগাই, করোনা থামাই
Apr13

চেতনা জাগাই, করোনা থামাই

সোশাল ডিস্ট্যান্সিং বজায় রাখার সময়টাকে সহনীয় করে তুলতে পারে বইপড়া। আর বই পড়েই যদি সোশাল ডিস্ট্যান্সিং এর পাশাপাশি সামাজিক সহযোগিতায়ও কার্যকরভাবে অংশ নেয়া যায়, তবে মন্দ কি? বইটই আর সেইবই এর মাধ্যমে আপনারা এ সুযোগটাই পাবেন। পুরো এপ্রিল মাসজুড়ে এই দুটি ইবুক প্ল্যাটফর্মে আমার বিক্রিত বই থেকে (লেখকের অংশের) সব অর্থ যাবে করোনায় ভুক্তভোগী ডিসএনভান্টেজড মানুষের সহযোগিতায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের “শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন” বিভাগের শিক্ষার্থীরা ফান্ড রেইজ করছে করোনা মহামারিতে বিপর্যস্ত মানুষের পাশে দাড়ানোর জন্য। “শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন” আমার ডিপার্টমেন্ট। আমার বই বিক্রির টাকাগুলো এই ফান্ডে দেয়া হবে। এর আগে অনেকবার বিভিন্ন দূর্যগের সময় এই গ্রুপ খুব সফলতার সাথে অনেকগুলো ত্রান কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। তাদের কাছে আমাদের টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে। এখান থেকে হয়তো খুব বেশি টাকা আসবে না। কিন্তু আমার হৃদয়ের সবচেয়ে কাছের জিনিস এই বইগুলো। তাই এখান থেকে পাওয়া টাকাটুকু নিয়েই মানুষের পাশে দাড়াতে চাই। এতটুকু আত্মতুষ্টি অন্তত পেতে চাই যে, আমিও আমার জায়গা থেকে করেছি যতটুকু পেরেছি। সেইবই থেকে বই কিনলে ডোনেশন হিসেবে যাবে বইয়ের দামের ৭০% এবং বইটই থেকে কিনলে যাবে দামের ৫০%। (এটাই রেভিনিউ ডিসট্রিবিউশান) প্রথমে এমনই হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরে “বইটই” আমার এই উদ্যোগে একাত্মতা জানিয়েছে। তাদের অংশের ৫০% রেভিনিউ তারা আমার এই ক্যাম্পেইনের জন্য ছেড়ে দিচ্ছে। অর্থাৎ বইটই ব্যবহারকারীরা বইটি কিনলে পুরো টাকাটাই যাবে ডোনেশন হিসেবে। এব্যাপারে একটা পোস্ট আছে, সেটার লিংক নিচে দিয়ে দেব। আমরা যদি প্রত্যেকে সচেতন থাকি, নিজের অবস্থান থেকে যতটুকু পারি যেভাবে পারি মানুষের পাশে দাড়াই তাহলে করোনা মহামারি পরাস্ত হবেই। ভবিষ্যতের পৃথিবীর জন্য এটাই হবে আমাদের উপহার। আমার বন্ধু আব্দুল্লাহ আর রায়হান, প্রথম দু্টো প্যারা লিখে দিয়ে এই লেখাটা শুরু করিয়ে দিয়েছে। তার মতে, ‘চেতনা জাগাই, করোনা থামাই’ কথাটাতে ‘চেতনা’ শব্দটা পুরোপুরি সুইটেবল না। বেশি বলা হয়ে যাচ্ছে। সে আমাকে ‘সচেতনতা’বা এই জাতীয় কোনো শব্দ ব্যবহার করতে বলছিল। আমিও ওর সাথে একমত। কিন্তু তারপরেও চেতনা শব্দটা রাখতে চাই। কারন সচেতনতা দিয়ে আমরা এই করোনাকে বিদায় করতে পারব। কিন্ত আর যেন কোনো করোনা এসে আমাদের এমন অসহায় করতে না পারে এজন্য আমাদের চেতনাকে জাগাতে হবে। পৃথিবীর প্রতি যত্নশীল হতে হবে। যদি এই বিপর্যয়ে আমাদের চেতনা জাগে তাহলেই কেবল করোনা পরবর্তী পৃথিবী হবে নিরাপদ। নইলে…. সময়ের ব্যাপার মাত্র…. পাঠকের সুবিধা হলে পারে, তাই বইটই ও সেইবইতে আমার যে বইগুলো কেনা যাবে সেগুলোর লিস্ট দিয়ে দিচ্ছি। বইগুলোর ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে বইয়ের নামের উপর ক্লিক করুন। সেইবইতে পাওয়া যাবে ১. দি হবিট – জে. আর. আর. টোলকিন (লর্ড অফ দ্য রিংস-এর প্রিক্যুয়েল) বইয়ের ব্যাপারে সবকিছু পাবেন: https://mithu.info/the-hobbit-new-cover/ সেইবইতে বইয়ের লিংক: https://sheiboi.com/Book/BookDetails?bookId=3159 ২. দি আইস ড্রাগন – জর্জ আর. আর. মার্টিন বইয়ের ব্যাপারে সবকিছু পাবেন: https://mithu.info/the-ice-dragon-intro/ সেইবইতে বইয়ের লিংক: https://sheiboi.com/Book/BookDetails?bookId=3098 ৩. আ গেম অব থ্রোনস (গ্রাফিক নোভেল ১)- জর্জ আর. মার্টিন বইয়ের ব্যাপারে সবকিছু পাবেন: https://mithu.info/gameofthrones-grahic-novel/ সেইবইতে বইয়ের লিংক: https://sheiboi.com/Book/BookDetails?bookId=3134 ৪. প্লেয়িং ইট মাই ওয়ে (শচীন টেন্ডুলকারের আত্মজীবনী) বইয়ের...

Read More
১০০তম জন্মদিনে ১০০% ছাড়
Mar20

১০০তম জন্মদিনে ১০০% ছাড়

প্রতিবার বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে আমি তার ভাস্কর্য, দেয়ালচিত্র, ছবি ইত্যাদির সাথে ছবি আপলোড দেই।কিন্তু এবার তার ১০০তম জন্মদিন। বিরাট ব্যাপার, প্রতিবারের মত সাদামাটা কিছু ইচ্ছা করছিল না। স্পেশাল কিছু করতে ইচ্ছা করছিল। সেই স্পেশাল কিছু করতে যাওয়ার ইচ্ছা থেকে এই অফারের অবতারনা। পরেরবার থেকে আবার সাদামাটাই হবে!আমাদের সবার প্রিয় এই মানুষটির জন্মদিনে পাঠকরা জন্য আমার বইগুলো কিনতে পারবেন ১০০% ডিসকাউন্টে। বইটই অ্যাপে। অফার চলবে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন থেকে বাংলাদেশের জন্মদিন পর্যন্ত! বিরাট মুজিবের বিরাট দিনে ক্ষুদ্র মিঠুর ক্ষুদ্র নিবেদন।প্রোমোকোড: MUJIB100MITHUবইটই-কে ধন্যবাদ। প্রিয় মানুষের শততম জন্মদিন স্মরণীয় হয়ে থাক!প্রিয় বাংলাদেশ আরেকটু আলোকিত হয়ে উঠুক! বিঃদ্রঃ প্রোমোকোডটি শুধু একবার ব্যবহার করা যাবে। তাই যে কয়টি বই কিনতে চান তার সবগুলো একসাথে কার্টে যোগ করে প্রোমোকোড MUJIB100MITHU ইনপুট দিয়ে চেক-আউট করলেই হবে। (এই লিমিটেশনটা জানানোর জন্য রায়হানকে ধন্যবাদ।)আর একজন ইউজার সর্বোচ্চ ২০০টাকার বই কিনতে পারবেন। কার কতটা কাজে লাগবে সেটা জানিনা। কিন্তু এই অফার আমার কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। প্রিয় মানুষের ১০০ তম জন্মদিন সেলিব্রেট করার জন্য এরকম কিছু করা দরকার ছিল। আমি...

Read More
ড্রাকুলা (গ্রাফিক নোভেল)
Mar16

ড্রাকুলা (গ্রাফিক নোভেল)

ব্রাম স্টোকারের ড্রাকুলা উপন্যাসটা প্রথম যখন পড়লাম তখন সম্ভবত ক্লাস সিক্স বা সেভেনে। সেবা প্রকাশনী থেকে রকিব হাসানের অনুবাদে। সংক্ষেপিত অনুবাদ, কিন্তু প্রথমবার পড়েই ভালো লেগেছিল। সেই থেকে হরর গল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রিয়গুলোর একটা হয়ে আছে ড্রাকুলা। এই বইটা নিয়ে একটা বড় ধাক্কা খেয়েছিলাম, তিন-চার বছর পর, ইংরেজীটা পড়ার সময়। অনুবাদে ক্ষেত্রে আমার প্রিয় অনুবাদক একটা ভয়াবহ ঘটনা ঘটিয়ে ফেলেছেন। রকিব হাসানের অনুবাদে কাউন্ট ড্রাকুলাকে ভিলেন বলে মনে হয়েছিল, কিন্তু অরিজিনাল বইটা পড়ার সময় দেখলাম, ড্রাকুলা আসলে নায়ক। মনটা খুব খারাপ হয়েছিল। তখন থেকে ড্রাকুলার একটা পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ করার একট ইচ্ছা সবসময়ই ছিল, কিন্তু সময় হয়ে ওঠেনি। তাছাড়া এতদিন আগের সবার পড়া একটা বই আবার প্রকাশ করা ব্যবসায়িক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে কতটা ভালো সিদ্ধান্ত হবে সেটাও একটা ভাবনার বিষয় ছিল। যাই হোক, আসল কথায় ফেরত আসি। ড্রাকুলার একটা পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ বাংলায় না থাকার একটা খুতখুতানি মনের মধ্যে সবসময়ই ছিল। ২০১২-১৩ সালের দিকে হাতে পড়ল, ব্রাম স্টোকারের “ড্রাকুলা”-র একটা গ্রাফিক নোভেল। গ্রাফিক নোভেলটাতে অরিজিনাল বেইটাকেই ফলো করা হয়েছে। তখন আমি একটা অনলাইন ম্যাগাজিনের সাথে কাজ করছিলাম। সেই ম্যাগাজিনের জন্য গ্রাফিক নোভেলটা অনুবাদ করে ফেললাম। পরে ম্যাগাজিনটা বন্ধ হয়ে যায়, ড্রাকুলার গ্রাফিক নোভেলটা পুরোপুরি প্রকাশ করা যায়নি। অতপর, বহুকাল পরে সেই কাজটাকেই আরো নান্দনিকভাবে প্রকাশ করার এই উদ্যোগটা বইটই-এর। গত ১৭ মার্চ বইটই থেকে ইবুক আকারেই প্রথমে প্রকাশিত হল, চার ইস্যুর এই গ্রাফিক নোভেলের প্রথম ইস্যু। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য প্লাটফর্ম গুলোতেও প্রকাশ করা হবে। হার্ডবুকের ব্যাপারে প্রকাশকরা আগ্রহ দেখাচ্ছেন না তেমন। সাদাকালো ছবি দিয়ে প্রকাশ করতে চান তারা। আমি চাই রঙিনই হোক। তাই হার্ডবুক খুব সহসাই আসার কোনো সম্ভবনা দেখছি না। ড্রাকুলা চারটি ইস্যু কাহিনি সংক্ষেপ: ব্রাম স্টোকারের বিখ্যাত হরর উপন্যাস ড্রাকুলা। এই কাহিনীকে ঘিরে তৈরি হয়েছে অগণিত নতুন উপন্যাস, সিনেমা, টিভি সিরিজ, কমিকস। কিন্তু এতকিছুর পরেও বইটির আবেদন তো কমেই নি বরং বেড়ে চলেছে। এই বইটি অরিজিনাল উপন্যাসটির গ্রাফিক নোভেল সংস্করণ। জোনাথন হারকারকে কাজের খাতিরে যেতে হয় ট্রানসিলভালিয়ায়। সেখানে কাউন্ট ড্রাকুলা নামে এক বনেদী লোক অপেক্ষা করছে তার জন্য। লন্ডনে একসাথে অনেক সম্পত্তি কিনেছেন ভদ্রলোক। কিন্তু কি তার উদ্দেশ্য? এদিকে ড্রাকুলার প্রাসাদে অদ্ভূত সব ঘটনার মুখোমুখি হতে হচ্ছে জোনাথনকে। কিন্তু এ সবকিছুর সাথে কি সম্পর্ক জোনাথনের বাকদত্ত্বা মিনার? আবার মিনার বান্ধবী লুসিও সহ লন্ডনের আরো অনেকে জড়িয়ে পড়েছে ভয়ানক এই খেলায়। সেই সব গল্প শোনাচ্ছেন প্রফেসর ভ্যান হেলসিং। বই: ড্রাকুলা ধরন: গ্রাফিক নোভেল ক্যাটাগরি: হরর, অ্যাডভেঞ্চার, থ্রিলার, অনুবাদ, গ্রাফিক নোভেল, কমিকস, চিরায়ত সাহিত্য, ক্লাসিক কাহিনী: ব্রাম স্টোকার অনুবাদ: মহিউল ইসলাম মিঠু প্রকাশক: বইটই, সেইবই ইস্যু ১’র বইটই বারকোড প্রয়োজনীয় লিংকসমূহ বইটইতে পাবেন এই লিংকে: https://boitoi.com.bd/book/825/%E0%A6%A1%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%BE সেইবইতে পাবেন এই লিংকে: গুডরিডসে পাবেন:...

Read More
সেইবই ও বইটইতে ফিচারড
Mar16

সেইবই ও বইটইতে ফিচারড

সেইবই বাংলাদেশের প্রথম এবং সবচেয়ে বড় ইবুক প্ল্যাটফর্ম।আজ সেইবই-তে যোগ হল, আমার অনুবাদেশচীন টেন্ডুলকারের আত্মজীবনী “প্লেয়িং ইট মাই ওয়ে”এবং হেনরি রাইডার হ্যাগার্ডের ক্লাসিক অ্যাডভেঞ্চারর “দি আইভোরি চাইল্ড”! দি আইভোরি চাইল্ড আমার অনুবাদ করা প্রথম বইগুলোর একটি। ২০১২’র দিকে। সেই তখন থেকেই বইটি পাঠকের ভালোবাসা পেয়ে আসছে। রিভিউও এই বইটি নিয়েই সবচেয়ে বেশি পেয়েছি। আর প্লেয়িং ইট মাই ওয়ে নিয়ে কাজ করেছিলাম ২০১৫ সালে। বইটির হার্ডকভার সংস্করণে অনেকগুলো রঙিন ছবি থাকলেও ইবুক সংস্করনে ছবিগুলো রাখা সম্ভব হয়নি। বইগুলোর ব্যাপারে বিস্তারিত সব পাবেন এই লিংকগুলোতে: দি আইভোরি চাইল্ড ও প্লেয়িং ইট মাই ওয়ে ( https://mithu.info/the-ivory-child/ ) ( https://mithu.info/playing-it-my-way/ ) প্রকাশনা উপলক্ষ্যে ” প্লেয়িং ইট মাই ওয়ে” বইটিকে ফিচার করেছে সেইবই।সেইবইকে ধন্যবাদ। ” প্লেয়িং ইট মাই ওয়ে” বইটিকে ফিচার করেছে সেইবই “প্লেয়িং ইট মাই ওয়ে”র দাম মাত্র ৪০ টাকা।“দি আইভোরি চাইল্ড” ২০ টাকা।সেইবই-এর প্রোমোশনাল অফারের ভিত্তিতে সম্পূর্ণ ফ্রীতেও পেতে পারেন! আরেকটি ভালো খবর হল, বইটই (আমার প্রিয় ইবুক অ্যাপ্লিকেশন এবং ইবুক পাব্লিকেশন প্ল্যাটফর্ম) আজ ফিচার করেছে “আ গেম অব থ্রোনস” এর প্রথম ইস্যুকে। বইটইকেও অসংখ্য ধন্যবাদ। বইটই ফিচার করেছে “আ গেম অব থ্রোনস” এর প্রথম...

Read More
আসছে সাইকোলোজিক্যাল থ্রিলার ‘লিজিয়ন’
Feb20

আসছে সাইকোলোজিক্যাল থ্রিলার ‘লিজিয়ন’

ব্র্যান্ডন স্যান্ডারসন আমেরিকান লেখক। ফ্যান্টাসি এবং সায়েন্স ফিকশনের জন্য বিখ্যাত। জন্ম ডিসেম্বর ১৯, ১৯৭৫! হুগো অ্যাওয়ার্ড ফর বেস্ট নোভেলা, গুডরিডস চয়েস অ্যাওয়ার্ড ফর বেস্ট ফ্যান্টাসি, হুইটনি অ্যাওয়ার্ড, জন ডব্লিউ ক্যাম্পবেল অ্যাওয়ার্ড সহ আরো বহু পুরষ্কার জিতে চলেছেন সেই ২০০৫ সাল থেকে। মিস্টবর্ন এবং দি স্টর্মলাইট আর্কাইভ সিরিজের মত ফ্যান্টাসিতে মোহিত করে রেখেছেন নিজের পাঠকদের। লিজিওন সিরিজ তার অন্যতম সফল নোভেলা সিরিজ। এই সিরিজে বই তিনটি(লিজিওন, ডিপ স্কিন, লাইস অফ দ্য বিহোল্ডার)। প্রথম বইটির অনুবাদের কাজ শেষ। আশা করছি শীঘ্রই পাঠকদের হাতে পৌছে যাবে। বইটির সাথে একটু পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্যই এই পোস্ট। প্রচ্ছদ এই সিরিজের নায়ক স্টিফেন লিডস। সে নিজেকে সিজোফ্রেনিয়ার রোগী মনে করে। মনে করে বলার কারন, স্টিফেন লিডস নিজেকে সিজোফ্রেনিক মনে করলেও তার ব্যাপারে সারা দুনিয়ার মানুষের ধারনা ভিন্ন। সেই ধারনা একেক জনের কাছে একেক রকম। তবে সবাই একটা ব্যাপারে একমত, সেটা হল, স্টিফেন লিডস খুবই রহস্যময়। এই ভদ্রলোক কিভাবে কি করেন কারো মাথায় আসে না। বড় বড় প্রফেসররা তার চিন্তাধারা, মস্তিষ্কের কর্মপ্রক্রিয়া, জীবন-যাপন, ইত্যাদি সব কিছু নিয়ে গবেষণা করতে চায়। মোটকথা তাকে নিয়ে মানুষের কৌতুহলের শেষ নেই। মিডিয়ার লোকজন তার একটা ইন্টারভিউ নিতে পারলে বর্তে যায়। যাই হোক, স্টিফেন লিডস হ্যালুসিনেশনে অনেক মানুষকে দেখতে পায়। তার হ্যালুসিনেশনের এই মানুষগুলো স্টিফেনের ভাষায় “জিনিয়াস”। জিনিয়াস এই কাল্পনিক মানুষগুলোকে নিয়ে নানান ধরনের জটিল সব রহস্যের মোড়ক উন্মোচন করে সে। নিজের ভিন্ন চিন্তাধারা আর অদ্ভূত স্টাইল নিয়ে সে এত এত রহস্যের সমাধান করেছেন যে, এটাই আরেকটা নতুন রহস্য হয়ে গেছে। এবার স্টিফেনের কাছে একটা উড়োচিঠি এসেছে। ভেতরে শুধু একটা ফটোগ্রাফ। কিন্তু ফটোগ্রাফটা যে সময়ের সেই সময় ক্যামেরা নামক যন্ত্রটা ছিলই না। উদ্ভাবিতই হয়নি। কয়েকদিন পর আবার একই ধরনের ছবি আসল আরো একটা। প্রশ্ন উঠলো, ক্যামেরা তৈরি হওয়ার আগেই এইসব ছবি ধারন করাটা সম্ভব হল কিভাবে? তাহলে কি ক্যামেরা আবিষ্কারের ইতিহাস ভুল জানি আমরা? নাকি এইসব ছবি কোনো টাইম ট্রাভেলের ফলাফল? নাকি নিছক ফটোসশপের কারসাজি দিয়ে কনফিউজড করার চেষ্টা করছে কেউ? অনিচ্ছা সত্ত্বেও কৌতুহলী হয়ে উঠল স্টিফেন। জড়িয়ে পড়ল রহস্যের জালে। বই: লিজিয়ন লেখক: ব্র্যান্ডন স্যান্ডারসন অনুবাদ: মহিউল ইসলাম মিঠু সম্ভাব্য প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারী ২০২০ প্রকাশক: বইটই, সেইবই দাম: প্রচ্ছদ: মহিউল ইসলাম মিঠু ইবুক আকারে বইটি পাওয়া যাবে, বইটই ও...

Read More