দি লর্ড অফ দ্য রিংস ১ (বই পরিচিতি)

এই বই পরিচিতিটা একটু বড় হতে যাচ্ছে। অনেকদিন ধরে কাজ করছি এই বইটা নিয়ে তাই বলার মত কথাও আসলে অনেক। কিন্তু আজ ২২ সেপ্টেম্বর। হবিট ডে। দি লর্ড অফ দ্য রিংসের নায়ক ফ্রোডো ব্যাগিন্সের জন্মদিন। বইয়ের পরিচিতিটা দেয়ার জন্য এরচেয়ে ভালো দিন আর হয়না। প্রচ্ছদ বই পরিচিতি কিছু বই লেখা হয় দ্রুত পড়ে শেষ করে ফেলার জন্য। আবার কিছু কিছু বই আছে যেগুলো পড়তে হয় ধীরে, স্বাদ নিতে নিতে। ‘দি লর্ড অফ দ্য রিংস’ দ্বিতীয় ক্যাটেগরির। কিছু বই একবার পড়ার জন্য আর কিছু বই বারবার পড়তে হয়। এবারও ‘দি লর্ড অফ দ্য রিংস’ দ্বিতীয় ক্যাটাগরির। জে. আর. আর. টোলকিন’র কালজয়ী সৃষ্টি। এই দ্বিতীয় ক্যাটাগরির বইগুলোর একটা সাধারণ বিশেষত্ব হল, এগুলো আপনি যতবারই পড়বেন ততবারই এগুলোর নতুন নতুন সৌন্দর্য উপভোগ করবেন। যত গভীরে যাবেন নতুন নতুন দিক উন্মোচিত হতে থাকবে। একটি ল্যান্ডমার্ক ‘দি লর্ড অফ দ্য রিংস’ সহিত্যের ইতিহাসে একটা ল্যান্ডমার্ক । গল্পের ডিটেইলিং-এ টোলকিনের মত মনযোগ খুব কম লেখকই দিতে পেরেছেন। আর ইংরেজি সাহিত্যে স্টোরিটেলিং-এর ধরনটাই পাল্টে দিয়েছিল তার ‘দি হবিট’ আর ‘দি লর্ড অফ দ্য রিংস’। পুরো লেখক জীবনে টোলকিন এই একটা ইউনিভার্সই তৈরি করেছেন। সে এক এমন ইউনিভার্স তৈরি করেছেন যে একবার ঢুকলে আর বেরিয়ে আসা যায়না কখনও । প্রকাশ হওয়ার পর থেকে আরও অনেক বিশ্বনন্দিত লেখককে অনেক বিশ্বনন্দিত অনেক ফ্যান্টাসি লিখতে অনুপ্রাণিত করেছে। সেকালের নার্নিয়া থেকে থেকে আজকের হ্যারি পটার পর্যন্ত অনেক বড় বড় কাজ ‘দি লর্ড অফ দ্য রিংস’ থেকে অনুপ্রাণিত। এমনকি ফ্যান্টাসির চলতি ক্রেজ ‘গেম অফ থ্রোন্স’র লেখকও স্বীকার করেন, তিনিও ‘লর্ড অফ দ্য রিংস’ দ্বারা প্রভাবিত। এই অসাধারণ সৃষ্টি আরও বহুকাল আরও অনেক বড় বড় সৃষ্টিকে অনুপ্রাণিত করবে। কল্পনার চেয়েও বাস্তব কাল্পনিক এক জগৎ কিন্তু বাস্তবতার চেয়েও যেন বাস্তব। এজন্যই হয়তো পাঠকরা এই দুনিয়াতে নিজের অস্তিত্ব খুঁজে পেতে এত পছন্দ করেন। সম্ভবত সারাপৃথিবী ভক্তদের মধ্যে একটা কথা খুবই কমন, সেটা হল “মিডল-আর্থ ইজ মাই হোম!” এর কারণ সম্ভবত তারা মিডল-আর্থে জীবনকে খুঁজে যতটা তীব্রভাবে দেখতে পান, অন্য কোথাও হয়তো এতটা পান না।জে. আর. আর. টোলকিন বলেছিলেন, “একটি স্বপ্ন হাজারটা বাস্তবতার চেয়ে বেশি শক্তিশালী।” ‘লর্ড অফ দ্য রিংস’-এ টোলকিন এমন এক স্বপ্নের জগৎ সৃষ্টি করেছেন জীবনকে উপলব্ধির দিকটা যেখানে বাস্তবতাকেও হার মানায়। আপনি এই কাহিনী দ্রুত পড়ে গেলে শুধু কাহিনীটা জানবেন। কিন্তু একটু ধীরে সুস্থে গেলে দেখবেন, এই গল্প যেন আমাদেরই গল্প৷ সেখানে বন্ধুত্ব আছে সবচেয়ে সুন্দর রূপে, প্রেম সবচেয়ে মায়াবী চেহারা নিয়ে, বৃহত্তর ভালোর জন্য নিজেকে বিলিয়ে দেয়াটা এখানে স্বমহিমায় উদ্ভাসিত। গল্পের নায়ক ফ্রোডোর মাঝে আমরা যেন নিজেদের ক্ষুদ্রতাকেই খুঁজে পাই। আবার তার জীবন বদলে দেয়া অ্যাডভেঞ্চার আমাদের সেই ক্ষুদ্রতাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দেয়। বইয়ের চরিত্রগুলোতে ফিরে ফিরে আসবে আমাদের অনেক পরিচিত মুখ। আমরা দেখতে পাব আত্মবিশ্বাস কতটা উঁচুতে উঠলে জীবন বদলে দেয়, সংকল্প কতটা দৃঢ় হলে পর্বত পথ ছেড়ে দাড়ায়, আত্মত্যাগ কতটা মহান হলে মৃত্যুকেও মধুর লাগে। টোলকিনের লেখার প্রশংসা করলে সারাদিন...

Read More

কৃতজ্ঞতা-দি ফেলোশিপ অফ দ্য রিং ১

প্রুফ রিডিং : সালেহ আহমেদ মুবিন, কৌশিক দেবনাথ
বেটা রিডিং: জান্নাতুল ফেরদৌস ইপ্তি, আব্দুল্লাহ আর রায়হান, রিতু চক্রবর্তী, আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ, সালেহ আহমেদ মুবিন, মঈনুল ইসলাম, রাশেদুজ্জামান, জাহিদা নাসরিন, সৈয়দ আরফাত, জহুরুল হক, মাজেদা হক।

Read More

লর্ড অফ দ্য রিংস-অনুবাদকের কথা

লর্ড অফ দ্য রিংসের সাথে আমার পরিচয় ২০০৪ সালে। এই সিরিজের তৃতীয় সিনেমা ‘রিটার্ন অফ দ্য কিং’ রিলিজ হওয়ার পর। আমি তখন ক্লাস সিক্সে। টাংগাইলে থাকতাম।

Read More

দি লর্ড অফ দ্য রিংস-প্রকাশকের কথা

অনেকেই ‘দি লর্ড অফ দ্য রিংস’কে ট্রিলোজি বলেন। কিন্তু এটি মূলত ছয় খন্ডে বিভক্ত একটামাত্র উপন্যাস, যেটা সাধারণত তিনটি ভলিউম আকারে প্রকাশ করা হয়।
১৯৩৭ সালে লেখক তার ‘দি হবিট’ বইটি প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই আরও বড় কিছুর পরিকল্পনা করতে থাকেন

Read More

দি লর্ড অফ দ্য রিংস- প্রিভিউ

পাঠকরা একটা বই পছন্দ করার আগে বইটা কিছুটা পড়ে দেখতে চায়। তাদের জন্য প্রথম অধ্যায় থেকে ৪০০০+ বেশি শব্দের প্রিভিউ।

Read More

ফ্রোডো বনাম বিলবো

বিলবো ব্যাগিন্স মূলত ‘দি হবিট’ বইটির নায়ক, যে বই দিয়েই মূলত ‘মিডল-আর্থ’ ইউনিভার্সের জন্ম হয়েছে। অন্যদিকে ফ্রোডো ব্যাগিন্স হল ‘দি লর্ড অফ দ্য রিংস’ উপন্যাসের নায়ক। দুজন দুটো আলাদা কাহিনীর নায়ক, তাই তাদের মধ্যে কম্পেরিজন হওয়াটা সহজ না।

Read More

লিজিয়ন-পাঠক প্রতিক্রিয়া ৩

ব্র্যান্ডন স্যান্ডারসনের সাইফাই মিস্ট্রি থ্রিলার লিজিয়ন বইটি পড়েছেন নিশাত আনজুম সেমন্তী। একটা রিভিউও পাঠিয়েছেন।

Read More

লিজিয়ন-পাঠক প্রতিক্রিয়া ২

শুরুর দিকে মনে হয়েছে গল্প খুবই ধীরগতিতে আগাচ্ছে। কিন্তু মূল গল্পে ঢুকে পড়লে পুরোটা শেষ না করে ওঠা মুশকিল। “ধোকা দিচ্ছে কে?” এরকম একটা চিন্তা মাথায় ছিল সম্পূর্ন বই জুড়ে। বইয়ের কোথাও রহস্যের কমতি নেই। আর অনুবাদের ক্ষেত্রে মহিউল ইসলাম মিঠু তার অনুবাদের বৈশিষ্ট্য বজায় রেখেছেন।

Read More

লিজিয়ন-পাঠক প্রতিক্রিয়া ১

অনুবাদ ছিল বেশ সুন্দর সাবলীল।অল্প কিছু বানান ভুল চোখে পড়েছে আর দুই তিন জায়গায় চরিত্রের নামে ভুল হয়েছে আশা করি সেগুলো শীঘ্রই ঠিক করে ফেলা হবে। এবং সিরিজের পরবর্তী বইগুলোর অনুবাদের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করছি।মিঠু ভাই যদিও আপনি লর্ড অব দ্য রিংস এর অনুবাদ নিয়ে ব্যস্ত।অনেক অনেক শুভকামনা রইলো ভাই।

Read More

দি আইস ড্রাগন-পাঠ প্রতিক্রিয়া ২

এই ছোট্ট প্রতিক্রিয়াটি আমাদের দিয়েছেন নিশাত আনজুম সেমন্তী। বইটার অনুবাদ পড়ে আপনি আসলেই শান্তি পাবেন। এত আরামদায়ক অনুবাদ অনেকদিন পর পড়লাম।

Read More