আসছে সাইকোলোজিক্যাল থ্রিলার ‘লিজিয়ন’

ব্র্যান্ডন স্যান্ডারসন আমেরিকান লেখক। ফ্যান্টাসি এবং সায়েন্স ফিকশনের জন্য বিখ্যাত। জন্ম ডিসেম্বর ১৯, ১৯৭৫!
হুগো অ্যাওয়ার্ড ফর বেস্ট নোভেলা, গুডরিডস চয়েস অ্যাওয়ার্ড ফর বেস্ট ফ্যান্টাসি, হুইটনি অ্যাওয়ার্ড, জন ডব্লিউ ক্যাম্পবেল অ্যাওয়ার্ড সহ আরো বহু পুরষ্কার জিতে চলেছেন সেই ২০০৫ সাল থেকে।
মিস্টবর্ন এবং দি স্টর্মলাইট আর্কাইভ সিরিজের মত ফ্যান্টাসিতে মোহিত করে রেখেছেন নিজের পাঠকদের। লিজিওন সিরিজ তার অন্যতম সফল নোভেলা সিরিজ। এই সিরিজে বই তিনটি(লিজিওন, ডিপ স্কিন, লাইস অফ দ্য বিহোল্ডার)।

প্রথম বইটির অনুবাদের কাজ শেষ। আশা করছি শীঘ্রই পাঠকদের হাতে পৌছে যাবে। বইটির সাথে একটু পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্যই এই পোস্ট।

প্রচ্ছদ

এই সিরিজের নায়ক স্টিফেন লিডস। সে নিজেকে সিজোফ্রেনিয়ার রোগী মনে করে। মনে করে বলার কারন, স্টিফেন লিডস নিজেকে সিজোফ্রেনিক মনে করলেও তার ব্যাপারে সারা দুনিয়ার মানুষের ধারনা ভিন্ন। সেই ধারনা একেক জনের কাছে একেক রকম। তবে সবাই একটা ব্যাপারে একমত, সেটা হল, স্টিফেন লিডস খুবই রহস্যময়। এই ভদ্রলোক কিভাবে কি করেন কারো মাথায় আসে না। বড় বড় প্রফেসররা তার চিন্তাধারা, মস্তিষ্কের কর্মপ্রক্রিয়া, জীবন-যাপন, ইত্যাদি সব কিছু নিয়ে গবেষণা করতে চায়। মোটকথা তাকে নিয়ে মানুষের কৌতুহলের শেষ নেই। মিডিয়ার লোকজন তার একটা ইন্টারভিউ নিতে পারলে বর্তে যায়।
যাই হোক, স্টিফেন লিডস হ্যালুসিনেশনে অনেক মানুষকে দেখতে পায়। তার হ্যালুসিনেশনের এই মানুষগুলো স্টিফেনের ভাষায় “জিনিয়াস”। জিনিয়াস এই কাল্পনিক মানুষগুলোকে নিয়ে নানান ধরনের জটিল সব রহস্যের মোড়ক উন্মোচন করে সে। নিজের ভিন্ন চিন্তাধারা আর অদ্ভূত স্টাইল নিয়ে সে এত এত রহস্যের সমাধান করেছেন যে, এটাই আরেকটা নতুন রহস্য হয়ে গেছে।
এবার স্টিফেনের কাছে একটা উড়োচিঠি এসেছে। ভেতরে শুধু একটা ফটোগ্রাফ। কিন্তু ফটোগ্রাফটা যে সময়ের সেই সময় ক্যামেরা নামক যন্ত্রটা ছিলই না। উদ্ভাবিতই হয়নি। কয়েকদিন পর আবার একই ধরনের ছবি আসল আরো একটা। প্রশ্ন উঠলো, ক্যামেরা তৈরি হওয়ার আগেই এইসব ছবি ধারন করাটা সম্ভব হল কিভাবে? তাহলে কি ক্যামেরা আবিষ্কারের ইতিহাস ভুল জানি আমরা? নাকি এইসব ছবি কোনো টাইম ট্রাভেলের ফলাফল? নাকি নিছক ফটোসশপের কারসাজি দিয়ে কনফিউজড করার চেষ্টা করছে কেউ? অনিচ্ছা সত্ত্বেও কৌতুহলী হয়ে উঠল স্টিফেন। জড়িয়ে পড়ল রহস্যের জালে।

বই: লিজিয়ন

লেখক: ব্র্যান্ডন স্যান্ডারসন

অনুবাদ: মহিউল ইসলাম মিঠু

সম্ভাব্য প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারী ২০২০

প্রকাশক: বইটই, সেইবই

দাম:

প্রচ্ছদ: মহিউল ইসলাম মিঠু

ইবুক আকারে বইটি পাওয়া যাবে, বইটই ও সেইবই-তে।

Author: MIM

Share This Post On
468 ad

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link
Powered by Social Snap