Recent Posts From All Categories

পাঠক প্রতিক্রিয়া ১: দি লর্ড অফ দ্য রিংস

এটি নিয়ে কিছু বললেই মনে হয় কম হয়ে যায় ভাই। জাস্ট অসায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ধারণ! মনেই হয়নি অনুবাদ পড়ছি। মনে হচ্ছিল,বাংলায় লিখিত কোন গল্প পড়ছি। শুরু থেকেই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে কোন কাঠিন্য ভাব ফুটিয়ে না তুলেই যে ভালো মানের অনুবাদ উপস্থাপন করা যায় তার উদাহরণ দেয়া যায় বলতে পারেন।

কবিতার অনুভূতি: হায় চিল

‘সোনালি ডানার চিল’ বলতে কবি ‘সোনালি স্মৃতি’ বোঝাতে চাইছেন। পুরো কবিতায় একটা স্মৃতিকাতরতা অনুভব করতে লাগলাম আমি। হারানো প্রেমের স্মৃতিতে কাতর এক প্রেমিকের অনুভূতি যেন এই কবিতা।

দি লর্ড অফ দ্য রিংস ১ (বই পরিচিতি)

‘দি লর্ড অফ দ্য রিংস’ সহিত্যের ইতিহাসে একটা ল্যান্ডমার্ক । গল্পের ডিটেইলিং-এ টোলকিনের মত মনযোগ খুব কম লেখকই দিতে পেরেছেন। আর ইংরেজি সাহিত্যে স্টোরিটেলিং-এর ধরনটাই পাল্টে দিয়েছিল তার ‘দি হবিট’ আর ‘দি লর্ড অফ দ্য রিংস’। পুরো লেখক জীবনে টোলকিন এই একটা ইউনিভার্সই তৈরি করেছেন।

  • Latest News

পাঠক প্রতিক্রিয়া ১: দি লর্ড অফ দ্য রিংস

এটি নিয়ে কিছু বললেই মনে হয় কম হয়ে যায় ভাই। জাস্ট অসায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ধারণ! মনেই হয়নি অনুবাদ পড়ছি। মনে হচ্ছিল,বাংলায় লিখিত কোন গল্প পড়ছি। শুরু থেকেই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে কোন কাঠিন্য ভাব ফুটিয়ে না তুলেই যে ভালো মানের অনুবাদ উপস্থাপন করা যায় তার উদাহরণ দেয়া যায় বলতে পারেন।

দি লর্ড অফ দ্য রিংস ১ (বই পরিচিতি)

‘দি লর্ড অফ দ্য রিংস’ সহিত্যের ইতিহাসে একটা ল্যান্ডমার্ক । গল্পের ডিটেইলিং-এ টোলকিনের মত মনযোগ খুব কম লেখকই দিতে পেরেছেন। আর ইংরেজি সাহিত্যে স্টোরিটেলিং-এর ধরনটাই পাল্টে দিয়েছিল তার ‘দি হবিট’ আর ‘দি লর্ড অফ দ্য রিংস’। পুরো লেখক জীবনে টোলকিন এই একটা ইউনিভার্সই তৈরি করেছেন।

দি লর্ড অফ দ্য রিংস- প্রিভিউ

পাঠকরা একটা বই পছন্দ করার আগে বইটা কিছুটা পড়ে দেখতে চায়। তাদের জন্য প্রথম অধ্যায় থেকে ৪০০০+ বেশি শব্দের প্রিভিউ।

  • ALL MY BOOKS
  • Featured Post

দি লর্ড অফ দ্য রিংস ১ (বই পরিচিতি)

‘দি লর্ড অফ দ্য রিংস’ সহিত্যের ইতিহাসে একটা ল্যান্ডমার্ক । গল্পের ডিটেইলিং-এ টোলকিনের মত মনযোগ খুব কম লেখকই দিতে পেরেছেন। আর ইংরেজি সাহিত্যে স্টোরিটেলিং-এর ধরনটাই পাল্টে দিয়েছিল তার ‘দি হবিট’ আর ‘দি লর্ড অফ দ্য রিংস’। পুরো লেখক জীবনে টোলকিন এই একটা ইউনিভার্সই তৈরি করেছেন।

দি হবিট- বই পরিচিতি

১৯৩৭ সালে প্রকাশিত হওয়া এই এভারগ্রিন ক্লাসিক পঞ্চাশের দশকে লেখককে আরও একটি অনবদ্য কাজে উদ্বুদ্ধ করে। জন্ম হয় ফ্যান্টাসী দুনিয়ার আরেক মাইলস্টোন ‘দি লর্ড অফ দ্য রিংস’। ।

ড্রাকুলা (গ্রাফিক নোভেল)

ব্রাম স্টোকারের বিখ্যাত হরর উপন্যাস ড্রাকুলা। বইটির আবেদন বেড়েই চলেছে।এই বইটি অরিজিনাল উপন্যাসটির গ্রাফিক নোভেল সংস্করণ।

লিজিয়ন-বই পরিচিতি

স্টিফেনের কাছে একটা সাদা খাম এসেছে। নাম-ঠিকানা কিচ্ছু নেই খামে। ভেতরে শুধু একটা ফটোগ্রাফ। কিন্তু ফটোগ্রাফটা যেই সময়ের সেই সময় ক্যামেরা নামক যন্ত্রটার অস্তিত্বই ছিল না। আবিষ্কৃতই হয়নি।

গেম অব থ্রোনস (গ্রাফিক নোভেল)

জর্জ আর আর মার্টিন-র বিশ্বব্যাপী সাড়াজাগানো গেম অফ থ্রোনস অবলম্বনে গ্রাফিক নোভেল।
গেম অব থ্রোনসের গ্রাফিক নোভেল পড়তে গিয়ে মনে হল একই রকম কিছু করাই যায়! যা ভাবা তাই কাজ। যদিও কাজ তেমন পারি না, তবুও কাজ শুরু করলাম।

দি লর্ড অফ দ্য রিংস ১ (বই পরিচিতি)

‘দি লর্ড অফ দ্য রিংস’ সহিত্যের ইতিহাসে একটা ল্যান্ডমার্ক । গল্পের ডিটেইলিং-এ টোলকিনের মত মনযোগ খুব কম লেখকই দিতে পেরেছেন। আর ইংরেজি সাহিত্যে স্টোরিটেলিং-এর ধরনটাই পাল্টে দিয়েছিল তার ‘দি হবিট’ আর ‘দি লর্ড অফ দ্য রিংস’। পুরো লেখক জীবনে টোলকিন এই একটা ইউনিভার্সই তৈরি করেছেন।

লিজিয়ন – প্রথম অধ্যায়

কয়েকদিন আগে প্রকাশিত হল বিখ্যাত আমেরিকান লেখক ব্র্যান্ডন স্যান্ডারসনের ‘লিজিয়ন’। বইয়ের প্রথম অধ্যায়টা এখানে দিয়ে দিচ্ছি। যাতে পাঠক কাহিনীর সাথে একটু পরিচিত হতে পারেন, সাথে অনুবাদের মান নিয়েও মনে শঙ্কা না থাকে

দি হবিট (প্রথম অধ্যায়)

এক গর্তে বাস করত এক হবিট। গর্ত শুনলে যেমন স্যাঁতস্যাঁতে, নোংরা একটা জিনিসের কথা মনে পড়ে। এই গর্ত মোটেও সেরকম নয়। গর্তটা একটা হবিটের। হবিটের গর্ত মানে সুন্দর সাজানো, গোছানো, পরিপাটি একটা গর্ত। হবিটের বাড়ি। এক কথায় যাকে সুখের স্বর্গ বলে।

ড্রাকুলা (গ্রাফিক নোভেল)

ব্রাম স্টোকারের বিখ্যাত হরর উপন্যাস ড্রাকুলা। বইটির আবেদন বেড়েই চলেছে।এই বইটি অরিজিনাল উপন্যাসটির গ্রাফিক নোভেল সংস্করণ।

লিজিয়ন-বই পরিচিতি

স্টিফেনের কাছে একটা সাদা খাম এসেছে। নাম-ঠিকানা কিচ্ছু নেই খামে। ভেতরে শুধু একটা ফটোগ্রাফ। কিন্তু ফটোগ্রাফটা যেই সময়ের সেই সময় ক্যামেরা নামক যন্ত্রটার অস্তিত্বই ছিল না। আবিষ্কৃতই হয়নি।

  • Reader's Reviews

পাঠক প্রতিক্রিয়া ১: দি লর্ড অফ দ্য রিংস

এটি নিয়ে কিছু বললেই মনে হয় কম হয়ে যায় ভাই। জাস্ট অসায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ধারণ! মনেই হয়নি অনুবাদ পড়ছি। মনে হচ্ছিল,বাংলায় লিখিত কোন গল্প পড়ছি। শুরু থেকেই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে কোন কাঠিন্য ভাব ফুটিয়ে না তুলেই যে ভালো মানের অনুবাদ উপস্থাপন করা যায় তার উদাহরণ দেয়া যায় বলতে পারেন।

লিজিয়ন-পাঠক প্রতিক্রিয়া ৩

ব্র্যান্ডন স্যান্ডারসনের সাইফাই মিস্ট্রি থ্রিলার লিজিয়ন বইটি পড়েছেন নিশাত আনজুম সেমন্তী। একটা রিভিউও পাঠিয়েছেন।

লিজিয়ন-পাঠক প্রতিক্রিয়া ২

শুরুর দিকে মনে হয়েছে গল্প খুবই ধীরগতিতে আগাচ্ছে। কিন্তু মূল গল্পে ঢুকে পড়লে পুরোটা শেষ না করে ওঠা মুশকিল। “ধোকা দিচ্ছে কে?” এরকম একটা চিন্তা মাথায় ছিল সম্পূর্ন বই জুড়ে। বইয়ের কোথাও রহস্যের কমতি নেই। আর অনুবাদের ক্ষেত্রে মহিউল ইসলাম মিঠু তার অনুবাদের বৈশিষ্ট্য বজায় রেখেছেন।

  • MIM's BLOG

দি লর্ড অফ দ্য রিংস ১ (বই পরিচিতি)

‘দি লর্ড অফ দ্য রিংস’ সহিত্যের ইতিহাসে একটা ল্যান্ডমার্ক । গল্পের ডিটেইলিং-এ টোলকিনের মত মনযোগ খুব কম লেখকই দিতে পেরেছেন। আর ইংরেজি সাহিত্যে স্টোরিটেলিং-এর ধরনটাই পাল্টে দিয়েছিল তার ‘দি হবিট’ আর ‘দি লর্ড অফ দ্য রিংস’। পুরো লেখক জীবনে টোলকিন এই একটা ইউনিভার্সই তৈরি করেছেন।

কৃতজ্ঞতা-দি ফেলোশিপ অফ দ্য রিং ১

প্রুফ রিডিং : সালেহ আহমেদ মুবিন, কৌশিক দেবনাথ
বেটা রিডিং: জান্নাতুল ফেরদৌস ইপ্তি, আব্দুল্লাহ আর রায়হান, রিতু চক্রবর্তী, আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ, সালেহ আহমেদ মুবিন, মঈনুল ইসলাম, রাশেদুজ্জামান, জাহিদা নাসরিন, সৈয়দ আরফাত, জহুরুল হক, মাজেদা হক।

লর্ড অফ দ্য রিংস-অনুবাদকের কথা

লর্ড অফ দ্য রিংসের সাথে আমার পরিচয় ২০০৪ সালে। এই সিরিজের তৃতীয় সিনেমা ‘রিটার্ন অফ দ্য কিং’ রিলিজ হওয়ার পর। আমি তখন ক্লাস সিক্সে। টাংগাইলে থাকতাম।

মহিউল ইসলাম মিঠু

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

মহিউল ইসলাম মিঠু। জন্ম বগুড়ায়। বেড়ে উঠেছেন সারা বাংলাদেশ (প্রায়) জুড়ে। বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ বগুড়া থেকে এসএসসি, সরকারী আজিজুল হক কলেজ থেকে এইচএসসি শেষ করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করেছেন।

স্বাধীনচেতা আর আত্ননির্ভরশীল যেমন ব্যক্তিত্বে, তেমনই চিন্তাভাবনাতেও। নইলে বয়স আঠারো পেরোনোর আগেই নিজের ভেতরের সব সন্দেহ আর অনিশ্চয়তা দূরে ঠেলে প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ করতে পারতেন না।

মহিউল ইসলাম মিঠু তার সময়ের তুলনায় প্রগ্রেসিভ। ক্ষতিকারক বা সময় হয়েছে মনে হলে পুরনোকে ঝেড়ে ফেলতে যেমন দ্বিধাবোধ করেন না তেমনই যুগের পপুলিস্ট ধারণার সাথে তাল মেলাতে প্রাচীন সব ত্যাগ করতে হবে এমন ধারণাও রাখেন না। একই সাথে প্রগতি আর ঐতিহ্যের ছাপ যেমন তার ব্যক্তিত্বে, তেমনি লেখনীতেও। মূল লেখকের টোন ধরে রেখেও অনুবাদে যে একধরণের মৌলিকত্ব ও নিজস্বতা সৃষ্টি করা সম্ভব তা তিনি চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়েছেন বিভিন্ন ঘরানায় তার কাজগুলোতে।

দুই সহস্রাব্দের সন্ধিক্ষণে বেড়ে ওঠায় আশি আর নব্বইয়ের দশকের সাংস্কৃতিক জাগরণের শেষ ছোঁয়াটুকু পেয়েছেন পূর্বসূরীদের মাধ্যমে, আবার নতুন শতকের শুরুতে প্রযুক্তির প্রবেশও এক্সপেরিয়েন্স করেছেন। এর ছাপ লক্ষণীয় বইপড়া, লেখা আর প্রত্নতত্ত্বের পাশাপাশি তার দ্বিতীয় ভালোবাসা সঙ্গীতে। যখন লেখা নিয়ে ব্যস্ত থাকেন না, গিটার হাতে মোহনীয় টুংটাং-এ সময়ের খেয়াল হারাতে দেখা যেতে পারে তাকে।

অনেক জিনিসের প্রতি আগ্রহ রাখেন এমন মানুষদের নিয়ে একটা কথা প্রচলিত আছে। এদের বলা হয় 'Jack of all trades, master of none.’ । কিন্তু মহিউল ইসলাম মিঠু যেভাবে এগুচ্ছেন এ গতি ধরে রাখতে পারলে একসময় সে অল্প কয়েকজনের অংশ হয়ে যাবেন যারা প্রচলিত এ প্রবাদ মিথ্যে প্রমাণিত করে নিজের এরিনায় মাস্টার হয়ে উঠেছেন।

(আব্দুল্লাহ আর রায়হান, প্রকাশক।)

লোগো

বইয়ের তালিকা

Allmy books will be found here together in a list.

At Online BOOKSTORES

https://mithu.info/online-boiyer-dokane/

Some Books

advertisement advertisement advertisement advertisement advertisement advertisement advertisement
Copy link
Powered by Social Snap